তেলাপোকার সাধারণ পরিচয় : পর্ব ১
- infinitysciencec
- Feb 9, 2021
- 1 min read
Tahsin Hasan Tahabi
tahsinhasan26112005@gmail.com
তেলাপোকা ভয় পায় না এমন মেয়ে খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। আজ সেই তেলাপোকা নিয়েই লিখছি। খুব সাধারণ কিছু তথ্য। ডাইনোসর ধ্বংস হয়ে গেছে কিন্তু ঠিকই টিকে আছে আর্থ্রোপোডা পর্বের প্রাণী তেলাপোকা। আপনারা হয়তো অনেকেই আরশোলা বলে ডাকেন বা অন্য কিছু। আমি অবশ্য তেলাপোকা বলেই ডাকি। এর ইংরেজি প্রতিশব্দ Cockroach. এ পর্যন্ত প্রায় 2600 প্রজাতির তেলাপোকা সনাক্ত করা গেছে। তেলাপোকার বৈজ্ঞানিক নাম Periplaneta Americana. এরা নিশাচর এবং সর্বভুক। তেলাপোকার সমগ্র দেহ কাইটিন যুক্ত কিউটিকল দ্বারা আবৃত। কিউটিকল এর উপর মোমের একটি পাতলা স্তর থাকে। কিউটিকলের প্রস্থচ্ছেদে আবার তিনটি স্তর থাকে। কিউটিকল দেহ খন্ড গুলিকে পৃথকভাবে আবৃত রাখে। তেলাপোকার দেহ খন্ডায়ীত । বাহ্যিক দেহকে তিনটি অংশে ভাগ করা হয়। মস্তক বক্ষ এবং উদর। তেলাপোকার মস্তক 6 টি খন্ডের সমন্বয়ে গঠিত। বক্ষের আবার তিনটি অংশ।আজ যেহেতু শুধু বেশি করে আলোচনা করছি বা প্রাথমিক বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করছি সুতারাং অংশগুলো কি কি সেগুলো আর উল্লেখ করলাম না ,পরে একদিন বলব। বাংলাদেশের এ পর্যন্ত প্রায় 9 প্রজাতির তেলাপোকা পাওয়া গিয়েছে।
এগুলোর মধ্যে রয়েছে Periplaneta Americana, Blatta Orientals, Blattella garmanica ইত্যাদি। এ তিন প্রজাতির তেলাপোকার মধ্যে শুধু প্রথম প্রজাতিটি উড়তে পারে।
স্ত্রী তেলাপোকা অপেক্ষাকৃত খাটো এবং চওড়া হয়। পরিপাকগ্রন্থি এবং এক জোড়া লালাগ্রন্থি দিয়ে এদের পরিপাকতন্ত্র গঠিত হয়।মুখ থেকে পা য়ু পর্যন্ত বিস্তৃত লম্বা নলের মতো যে অংশ পেঁচানো অবস্থায় থাকে একে বলা হয় পৌষ্টিক নালী। পৌষ্টিক নালী কে তিনটি অংশে ভাগ করা হয়। অগ্রান্ত্র, মধ্যান্ত্র, পশ্চাদান্ত্র।
আজকে এ পর্যন্তই। বাকি পর্বগুলো নিয়ে অন্য কোন একদিন দেখা হচ্ছে।


Comments